বর্তমান অসহিষ্ণু সমাজে একমাত্র মূর্খেরাই সাহিত্য-সংস্কৃচর্চার অগ্রযাত্রাকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্থ করে। অথচ সবসময়ই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ারের মতোই গর্জে ওঠে লেখনী শক্তি। তেমনি একটি সুশীল সমাজের দর্পণ হিসেবে গত ২০ বছর ধরে ‘অমিতাভ’ সমাজ-প্রগতিতে ঈর্ষণীয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।
অমিতাভ প্রতিবেদন: বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি লালনের মাধ্যমে সুষ্ঠু সংস্কৃতি বিকাশের পথচলায় সাহিত্য-সংস্কৃতিনুরাগীদের মধ্যে অতি সহজেই বোদ্ধা পাঠকমহলে বিশেষ আনুকূল্য লাভ করে ‘অমিতাভ’। বর্তমান অসহিষ্ণু সমাজে একমাত্র মূর্খেরাই সাহিত্য-সংস্কৃচর্চার অগ্রযাত্রাকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্থ করে। অথচ সবসময়ই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ারের মতোই গর্জে ওঠে লেখনী শক্তি। তেমনি একটি সুশীল সমাজের দর্পণ হিসেবে গত ২০ বছর ধরে ‘অমিতাভ’ সমাজ-প্রগতিতে ঈর্ষণীয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) নগরের থিয়েটার ইন্স্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অমিতাভ’র দুই দশক পূর্তি উৎসবের ২য় দিনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উৎসব পরিষদের আহ্বায়ক সমীর কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিতে ‘উচ্ছ্বাসের আবীরে অমিতাভ’র দুই দশক’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অমিতাভ সম্পাদক ও প্রকাশক শ্যামল চৌধুরী। আলোচকবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজ সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর রীতা দত্ত ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি সাবেক ছাত্রনেতা ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া।
উম্মে সালমা নিঝুম এর সঞ্চালনায় সম্মাননা প্রদান পর্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১০ জন ব্যক্তিকে গুণীজন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছে অধ্যাপক শিশির বড়ুয়া (প্রবন্ধ সাহিত্য), ডাঃ মৃদুল কান্তি বড়ুয়া চৌধুরী (সমাজসেবা), এড. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান (পরিবেশবিদ), ডাঃ প্রীতি বড়ুয়া (চিকিৎসা সেবা), সাংবাদিক সমীর কান্তি বড়ুয়া (সাংবাদিকতা), বিশ্বজিৎ চৌধুরী (ঔপন্যাসিক), স্থপতি আশিক ইমরান (নগর পরিকল্পনাবিদ), প্রদীপ দেওয়ানজী (নাট্যচর্চা), সুমন বড়ুয়া (সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক অভিবৃদ্ধিতে) ও প্রমা অবন্তী (ওড়িশী নৃত্যচর্চা)। উল্লেখ্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারমান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়াকে পথিকৃৎ সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।